বুধবার (২২ নভেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য মুসা আবু মারজুক চুক্তি কার্যকরের এই সময় জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই যুদ্ধবিরতি গাজার সব এলাকায় কার্যকর হবে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত গাজার আকাশে ইসরায়েলের কোনো যুদ্ধবিমান বা সাধারণ বিমান চলাচল করবে না।
.png)
এদিকে সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আগামীকাল স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হবে। এরপর একই দিন দুপুর নাগাদ হামাসের হাতে বন্দি জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া শুরু হবে।
এর আগে বেশ কয়েক দিনের দরকষাকষির পর বুধবার গাজা উপত্যকায় কাতারের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ার কথা জানায় ইসরায়েল ও হামাস। তবে প্রাথমিকভাবে যুদ্ধবিরতি কখন থেকে কার্যকর হবে তা জানানো হয়নি।
চুক্তি অনুযায়ী, হামাসের হাতে জিম্মি ৫০ বন্দির বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি ১৫০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে ইসরায়েল। এ ছাড়া গাজা উপত্যকায় চার দিন সব ধরনের সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখবে ইসরায়েল। পাশাপাশি ২৩ লাখ মানুষের এই অঞ্চলে মানবিক ও চিকিৎসা সহায়তা নিয়ে ২০০টি লরি, চারটি জ্বালানি ট্যাংকার এবং চারটি গ্যাস বহনকারী লরি গাজায় প্রবেশের অনুমতি পাবে।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে ১২০০ ইসরায়েলি হত্যার পাশাপাশি দুই শতাধিক ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিককে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায় হামাস। এরপর হামাসকে নিশ্চিহ্নের নাম করে গাজায় নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি হামলায় এরই মধ্যে ১৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।