রোববার আফগানিস্তান সরকারের মুখপাত্র বিলাল করিমি সংবাদমাধ্যম এএফপিকে বলেছেন, দুর্ভাগ্যবশত, হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি... মারা গেছে এক হাজারেরও বেশি মানুষ।
শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় হেরাত প্রদেশে ওই ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পর পাঁচটি বড় ধরনের আফটারশক হয়েছে; যার কেন্দ্রস্থল ছিল ওই অঞ্চলের বৃহত্তম শহরের কাছে।
.png)
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুসারে, পশ্চিম আফগানিস্তানে ছয়টি ভূমিকম্প হয়েছে এবং যার মধ্যে সবচেয়ে বড়টি ছিল ৬.৩ মাত্রার। সংস্থাটি বলছে, শনিবার আঘাত হানা ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল হেরাত শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে। এই ভূমিকম্পের পর দেশটিতে ৫ দশমিক ৫, ৪ দশমিক ৭, ৬ দশমিক ৩, ৫ দশমিক ৯ ও ৪ দশমিক ৬ মাত্রার পাঁচটি শক্তিশালী আফটারশক অনুভূত হয়।
ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পশ্চিম আফগানিস্তানের সর্ববৃহৎ শহর হেরাট। অনেক জায়গায় ভূমিধস হয় এবং বাড়িঘর ভেঙে পড়ে। কম্পনের তীব্রতা জানিয়ে হেরাটের ৪৫ বছর বাসিন্দা বশির আহমেদ বলেন, আমরা অফিসে ছিলাম। হঠাৎ করেই অফিস বিল্ডিং কাঁপতে শুরু করে। দেওয়ালের প্ল্যাস্টার খসে পড়তে শুরু করে এবং কিছু জায়গায় দেওয়ালও ভেঙে পড়ে। এমনকি সেই সময় ফোনের নেটওয়ার্কও ছিল না বলে জানান তিনি।
ভয়াবহ এই ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকাজে নেমেছে জাতীয় বিপর্যয় সংস্থা। সংস্থাটির এক মুখপাত্র জানান, এলাকাবাসী ঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন। তারপরেও ভূমিধসে বা বাড়ি চাপা পড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। এখনও পর্যন্ত বিস্তারিত রিপোর্ট পাওয়া যায়নি বলে তিনি জানান। আবার এদিনের ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি ব্যপক হয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।