মুরগিগুলো দেখতে দৈত্যকার হওয়ার এর চাহিদা ব্যাপক। এগুলোকে দৈত্যকার ভারতীয় মোরগ নামে ডাকা হয়। মুরগিগুলো ১২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়।
রুবেনস ব্রাজ বলেন, অনেকে এই মুরগি কেনার জন্য মুখিয়ে আছেন। তার ব্যবসার পরিধিও অনেকে বেড়েছে। এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, শখের বসে তিনি এ মুরগি উৎপাদন করেন। কিন্তু এটি যে এক সময়ে বড় ব্যবসায়ে পরিণত হবে তা তিনি চিন্তাও করেননি।
.png)
তার ফার্মটি এভিকালচারা জায়ান্ট নামে পরিচিত। বর্তমানে এটি ব্রাজিলের মধ্যে অন্যতম রপ্তানিকারণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
তিনি বলেন, এভিয়ান ফ্লু’র কারণে তার ব্যবসায় কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়ে। কারণ তখন ব্রাজিল থেকে মুরগির মাংস রপ্তানি সীমিত করা হয়। ফলে এখন তিনি স্থানীয় খামারিদের মাঝে তার উৎপাদিত মুরগির বাচ্চা সরবরাহ করছে। তার ফার্মে প্রায় ৩০০টি বাচ্চা রয়েছে।
সূত্র: গাল্ফ নিউজ