শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান।
বৃহস্পতিবার টার্কিশ কেভিং ফেডারেশন জানায়, প্রায় ১৫০ জন উদ্ধারকারী মার্ক ডিকের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিলেন। মোরকা নামের ওই গুহার গভীরে যাওয়ার পর ডিকের গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনালে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।
.png)
টার্কিশ কেভিং ফেডারেশন জানিয়েছে, লজিস্টিক এবং প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে গুহার ভেতর চালানো অভিযানগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় অভিযান।
মার্ক ডিকে মাটি থেকে ৩ হাজার মিটার গভীর গুহাটির ১ হাজার ১২০ মিটার যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন। ওই সময় তার সঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক অনুসন্ধানকারী দল ছিল। অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর তাকে মাটির ১ হাজার ৪০ মিটার গভীরে অবস্থিত একটি ক্যাম্প বেসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার শরীরে রক্ত দেওয়া হয়। উদ্ধারকারী চিকিৎসকরা এই রক্ত পাঠান।
মার্ক ডিকে প্রথমে অসুস্থ হয়ে পড়েন গত রোববার। এরপর তাকে উদ্ধারে মঙ্গলবার তুরস্কের জরুরি উদ্ধারকারী সংস্থাকে নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। এই অভিযানে ক্রোয়েশিয়া এবং ইতালির উদ্ধারকারীরাও যোগ দিয়েছেন।
টার্কিশ কেভিং ফেডারেশন আরও জানিয়েছে, মার্ক ডিকের অবস্থা আগের তুলনায় অনেকটা স্থিতিশীল হয়েছে এবং আরও স্থিতিশীল হচ্ছে। তার শরীরের রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে এবং তিনি অন্যের সাহায্য নিয়ে হাঁটতে পারছেন। তবে কোনো স্ট্রেচার ছাড়া তাকে সেখান থেকে বের করা আনা সম্ভব নয়।
মোরকা তুরস্কের তৃতীয় গভীরতম গুহা। উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, মার্ক ডিকে-কে উদ্ধার করতে আরো কয়েকদিন সময় লাগবে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গুহাটির মুখে উদ্ধারকারীরা তাঁবু ও ক্যাবল স্থাপন করেছেন।