শুধু বিলাসবহুল কারাগার নয়, আরো নানা বিষয়ে ইন্টারনেটে খোঁজখবর নিয়েছিলেন কোউরি রিচিনস নামের ওই নারী। এর মধ্যে রয়েছে তিনি কোনো বার্তা মুছে ফেললে পরে তদন্তকারীরা তা দেখতে পাবেন কি না, জীবনবিমা প্রতিষ্ঠানগুলো বিমার অর্থ দিতে কত সময় নেয়, কেউ মিথ্যা বলছেন কি না, তা শনাক্ত করতে পুলিশ পরীক্ষা চালাতে পারে কি না—এমন সব প্রশ্ন।
ইন্টারনেটে এ খোঁজখবর নিয়ে অবশ্য কোউরির আইনজীবীদের ভাষ্য, এর মাধ্যমে আসলে তিনি স্বামীর মৃত্যুতে করা মামলা নিয়ে গবেষণা করতে চাইছিলেন। দেখতে চেয়েছিলেন, কীভাবে মামলার তথ্যপ্রমাণগুলো সংগ্রহ করা হয়। এর সঙ্গে কোউরির হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার কোনো সংযোগ নেই।
.png)
আরো পড়ুন>> বাবা-মার গলিত লাশের পাশ থেকে জীবিত নবজাতক উদ্ধার
কোউরি রিচিনসের স্বামীর নাম এরিক রিচিনস। গত বছরের মার্চে তাকে হত্যা করা হয়। একদিন গভীর রাতে বাসায় পুলিশ ডেকে কোউরি জানান, স্বামীকে মদ পান করতে দিয়েছিলেন তিনি। এর কয়েক ঘণ্টা পর অচেতন হয়ে পড়েন এরিক। ময়নাতদন্তের পর জানা যায়, মদ্যপান নয়, শরীরে মাত্রাতিরিক্ত ব্যথার ওষুধ ব্যবহারের কারণেই মৃত্যু হয়েছে তার।
আদালতের নথিপত্র থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এক ব্যক্তির কাছে ব্যথার ওষুধ চেয়েছিলেন কোউরি। পরে ওই ওষুধ পেয়েছিলেন তিনি। এরপর তার কাছে আরও শক্তিশালী ব্যথার ওষুধ চান তিনি। সেই ওষুধই স্বামীকে খাইয়েছিলেন কোউরি।
সূত্র: এবিসি নিউজ, এনডিটিভি