৩৫ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি মা মাইমুনা ইসরায়েলের দখলকৃত উম আল ফাহম নামক একটি স্থানে বসবাস করেন। ইসরায়েল শহর থেকে ২০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে এ জেলার অবস্থান।
শুক্রবার (২ জুন) এক প্রতিবেদনে মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম গাল্ফ নিউজ জানিয়েছে, বড় বোন মাইমুনার এমন উদারতার কথা জানার পর পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। তাদের কাছে মাইমুনার আরেক বোন রেহাম এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছেন।
.png)
তিনি বলেছেন, ‘দীর্ঘ ১৯ বছরের বেশি সময় ধরে, আমার বোন নিদা মা হওয়ার চেষ্টা করেছে। নয় মাস আগে আমার আরেক বোন মাইমুনা এবং তার স্বামী নিদার কাছে আসেন এবং তারা তাদের পরবর্তী সন্তানকে নিদাকে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।’
আরো পড়ুন>> চীনে ভূমিধসে নিহত অন্তত ১৪
মাইমুনার এর আগেই তিন সন্তান ছিল। নিদাকে এমন কথা দিয়ে আসার কয়েকদিন পরই তিনি আবারও গর্ভবতী হন। এরপর বাড়িতেই এ সন্তানটির জন্ম হয়। সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানটির নাম রাখা হয়েছে আয়া।
রেহাম আরো বলেছেন, ‘আয়া আমাদের সবার জন্য একটি নিদর্শন। মাইমুনা তার নতুন শিশুকে নিদাকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এমন সিদ্ধান্তের পর সবকিছু খুব সুন্দর এবং স্বাভাবিকভাবে হয়েছে।’
আয়ার জন্ম বাড়িতে হলেও পরবর্তীতে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গত বুধবার চিকিৎসা শেষে মা-মেয়েকে আবার হাসপাতাল থেকে ছেড়েও দেওয়া হয়। হাসপাতাল থেকে মাইমুনা তার বাড়িতে চলে আসেন। অপরদিকে সদ্য ভূমিষ্ঠ আয়া তার নতুন মা নিদার সঙ্গে চলে যায়।