ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মাইতকিনা শহর থেকে প্রায় ১২৫ কিলোমিটার (৭৮ মাইল) পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার (৬ মাইল) গভীরতায় এ কম্পন সৃষ্টি হয়।
সংস্থাটি আরো বলছে, এর ফেলে উত্তর মায়ানমারের কিছু অংশেও মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়েছে। এছাড়া উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু অংশ ও সুদূর দক্ষিণ-পশ্চিম চীন জুড়েও হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে।
.png)
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে প্রাথমিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি অবস্থিত অবকাঠাগুলো সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করতে বেশ সময় লাগবে বলেও জানানো হয়েছে।
মিয়ানমারের আবহাওয়া দফতর জানায়, আগামী কয়েকদিন দেশটির বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি আফটারশক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।