ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

রাশিয়ার ভাড়াটে ওয়াগনার বাহিনীর চমকপ্রদ কিছু তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫:৩৬, ২১ মে ২০২৩
রাশিয়ার ভাড়াটে ওয়াগনার বাহিনীর চমকপ্রদ কিছু তথ্য
রাশিয়ার ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনার গ্রুপ

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলছে ভয়াবহ যুদ্ধ। ইউক্রেনে প্রায় ১৫ মাস ধরে হামলা চালাচ্ছে। ইউক্রেনের শহর বাখমুত দখল করতে ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়গানার গ্রুপকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

গতকাল শনিবার (২০ মে) রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনী ওয়গানার গ্রুপ দাবি করেছে, তাদের সেনারা ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলের শহর বাখমুত পুরোপুরি দখল করেছে। এই ঘোষণার পর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বাহিনীটির প্রশংসা করেন।

ওয়াগনার গ্রুপের প্রধান ইয়েভগিনি প্রিগোজিন বাখমুত দখলের ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘এ শহরের লড়াই ২২৪ দিন স্থায়ী ছিল।’অবশেষে রক্তক্ষয়ী হামলা পাল্টা হামলার পর এই বাখমুত দখলের খবর পাওয়া গেল।

Advertisement

২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট পুতিনের হামলায় বড় ভূমিকা রাখছে ওয়াগনার।

আরো পড়ুন>> বিমানে ওঠার আগে ওজন মাপা হল নারী যাত্রীর!

ওয়াগনার হলো একটি ভাড়াটে সেনাবাহিনী। এটি রাশিয়ার সামরিক লক্ষ্য ও প্রচেষ্টাগুলো অর্জনে সহায়তা করে থাকে। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বাহিনীর বর্তমান প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন ইয়েভগিনি প্রিগোজিন।

ওয়াগনার সামরিক সহায়তা এমনকি সরাসরি যুদ্ধে পর্যন্ত জড়ায়। এই বাহিনীর সেনারা ইউক্রেন, লিবিয়া, মোজাম্বিক, সুদানসহ কয়েকটি দেশে যুদ্ধ করেছেন বা করছেন। 

তবে জেলবন্দিদের হত্যাসহ অসংখ্য যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করার অভিযোগ রয়েছে ওয়াগনারের বিরুদ্ধে। এটিকে অনেকটা নির্দয় বাহিনীও বলা হয়। যদিও ওয়াগনার সবসময় যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

প্রতিষ্ঠার পর আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াগনার গ্রুপের অস্তিত্ব স্বীকার করেনি রাশিয়া। তবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বাহিনীটিকে সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া হয়। যদিও সরকারি নথিতে রয়েছে ওয়াগনার একটি পরামর্শক সংস্থা। যুদ্ধ বা অন্য কোনো কিছুই এতে উল্লেখ করা হয়নি।

জানুয়ারিতে প্রকাশিত ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছিল, ইউক্রেনে ওয়াগনারের কমপক্ষে ৫০ হাজার সেনা মোতায়েন আছে। এই বাহিনীর অনেক সদস্য আছেন যারা জেলে বন্দি অবস্থায় ছিলেন। তাদেরকে মুক্তির বিনিময়ে এই বাহিনীতে যুক্ত করা হয়। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরটি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!