তার তৈরি কেকের নীল-হলুদ রং মিলে যায় ইউক্রেনের পতাকার সঙ্গে। এর মধ্য দিয়ে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর ‘সুনামহানি’ করা হয়েছে। কেকের ওপর লেখা শব্দ দুটি নিয়েও আপত্তি রুশ আদালতের।
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার অভিযান শুরু হয়। দেশের ভেতরে এই অভিযান নিয়ে যেকোনো সমালোচনার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মস্কো। তবে দমানো যায়নি চেরনিশেভাকে। যুদ্ধের দ্বিতীয় মাস থেকেই নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে নীল-হলুদ ওই কেকের ছবি শেয়ার করে আসছেন তিনি।
.png)
আরো পড়ুন>> ফের মার্কিন ব্যাংকের পতন, কিনে নিচ্ছে জেপি মরগান
সম্প্রতি চেরনিশেভাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে রুশ সেনাবাহিনীর ‘সুনামহানি’ করার অভিযোগ আনা হয়। পরে অবশ্য জামিনে মুক্তি পান। সবশেষ গত শুক্রবার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চেরনিশেভাকে ৩৫ হাজার রুবল (৪৫ হাজার টাকার বেশি) জরিমানা করেন মস্কোর একটি আদালত। এ ছাড়া আদালত এ-ও বলেছেন, একই কাজ আবার করলে তাকে পাঠানো হবে কারাগারে।
এদিকে নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো নিয়ে মোটেও হতবাক নন চেরনিশেভা। সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলও করবেন না তিনি।
চেরনিশেভা বলেন, ‘রুশপন্থীরা ঝড়ের গতিতে মন্তব্য করে বলছিলেন, আমার জায়গা হওয়া উচিত কারাগারে। প্রথমে আমি হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলাম। পরে একসময় ভাবলাম, এই কেকের জন্য তারা আমাকে ধরতে আসবে। আর তখন আমি পরিস্থিতি বুঝে কাজ করব। শেষ পর্যন্ত তারা এল।’
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ