গত শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) ভারতের মধ্য প্রদেশ রাজ্যে ঘটেছে এ ঘটনা। হাইকোর্ট নির্দেশ দেন, রাজ্য পুলিশের প্রধানকে ওই জরিমানা দিতে হবে।
সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে গোয়ালিয়র জেলার মোরার থানার উপপরিদর্শক সুমিত্রা টিগ্গার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার হয় ৭২০ গ্রাম এমডিএমএ সিন্থেটিক ড্রাগ। এ ছাড়া অভিযুক্তদের কাছ থেকে মেলে দুটি দেশি পিস্তল। এ ঘটনায় দুই নারীসহ মোট আটজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।
.png)
আরো পড়ুন>>> পর্তুগালে বন্দুকধারীর হামলা, নিহত ৩
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন ছিলেন মোহিত তিওয়ারি। ২৬ বছর বয়সী মোহিতের বাড়ি দাতিয়া জেলায়। কয়েক মাস জেলে থাকার পর অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মুক্ত হন তিনি। এরপর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তার দাবি, তিনি কোনো মাদক কারবার এবং কারবারিদের সঙ্গে যুক্ত নন। তার কাছ থেকে সেদিন পুলিশ মাদক বলে যা বাজেয়াপ্ত করেছিল তা মাদক নয়। তিনি বারবার বলার চেষ্টা করেছিলেন, ওতে ইউরিয়া সার রয়েছে। কিন্তু পুলিশ তার কথায় কর্ণপাত করেনি।
পুলিশি তদন্তেও উঠে আসে যুবকের দাবিই সত্য। শুক্রবার মধ্য প্রদেশ হাইকোর্টের বিচারপতি দীপক কুমার আগরওয়ালের একক বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, পুলিশের ভুলের শাস্তি ভোগ করতে হয়েছে এক নিরপরাধ যুবককে। কয়েক মাস তিনি জেল খেটেছেন।
পুলিশের ভুলে গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে জেলে ছিলেন তিনি। এর ফলে যুবকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। পুলিশের ভুলে সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘিত হয়েছে। তাই তার জরিমানা পুলিশকে দিতেই হবে। এরপর পুলিশের মহাপরিচালককে ১০ লাখ রুপি জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া, আনন্দবাজার