ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

সুদানের রাজধানী ছেড়ে পালাচ্ছে সাধারণ মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:০৩, ২০ এপ্রিল ২০২৩
সুদানের রাজধানী ছেড়ে পালাচ্ছে সাধারণ মানুষ
সংগৃহীত - বিবিসি

সুদানে ক্ষমতার জন্য লড়াই করছে দেশটির সেনাবাহিনী ও আধা সামরিক বাহিনী। এই সংঘর্ষের কারণে দেশটিতে এই পর্যন্ত ২৭০ জন নিহত হয়েছেন। এই লড়াই কে কেন্দ্র করে বাস্তুচুত্য হয়েছে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। 

তাই সুদানের রাজধানী খার্তুম থেকে পালাচ্ছের তারা। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। পঞ্চম দিনের মতো এখনো ভয়াবহ লড়াই চলছে দেশটিতে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বুধবার সকালে লোকজন গাড়িতে করে এবং পায়ে হেঁটে খার্তুম ত্যাগ করে। সে সময় বন্দুকযুদ্ধ এবং বিস্ফোরণে শহর কেঁপে ওঠছিল।

Advertisement

এদিকে জাপান এবং তানজানিয়ার কর্মকর্তারা বলছেন, তারা তাদের নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। মঙ্গলবারের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পর পুনরায় লড়াই শুরু হয়েছে।নির্ধারিত সময়ের আগেই যুদ্ধবিরতি ভেস্তে গেছে। অপরদিকে দুই বাহিনী এই সংঘাতের জন্য পরস্পরকে দায়ী করছে।

সেনাবাহিনী ও আরএসএফ বাহিনীর মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষের কারণে রাজধানী খার্তুমসহ সারা দেশের মানুষের মধ্যে আবারো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

আরো পড়ুন>> ইউক্রেনকে অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট মিসাইল সিস্টেম দিল জার্মানি

বুধবার আরএসএফের পক্ষ থেকে নতুন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। সেনাবাহিনী জানায় যে, তারা যুদ্ধবিরতি মেনে চলবে। তবে এখনো রাজধানী জুড়ে গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। অনেক বেসামরিক নাগরিক বলছেন, শহরে কী ঘটছে তারা কিছুই বুঝতে পারছেন না।

২০২১ সালের অক্টোবরে এক সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে সুদানের ক্ষমতা মূলত সামরিক জেনারেলদের হাতে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান। তার প্রতি অনুগত সামরিক ইউনিটগুলোর সঙ্গে লড়াই চলছে আরএসএফের, যার নেতৃত্বে রয়েছেন সুদানের উপ-নেতা মোহাম্মদ হামদান দাগালো। তিনি হেমেডটি নামেও পরিচিত।

দাগালো বলেছেন, তার সৈন্যরা সব সেনা ঘাঁটি দখল না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে। অপরদিকে সুদানের সশস্ত্র বাহিনীগুলোও আধা-সামরিক বাহিনী আরএসএফ-কে ধ্বংস না করা পর্যন্ত কোনো ধরনের আপোস-আলোচনার প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে।

অল্প কিছুদিন আগেও এই দুই সামরিক নেতার মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল। সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশিরকে ২০১৯ সালে ক্ষমতা থেকে সরাতে তারা দুজন একসাথে কাজ করেছেন। ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

সূত্র: বিবিসি

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরটি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!