ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগের বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে। এর আগেই তিনি ব্যক্তিগত বিমানে চড়ে ফ্লোরিডা থেকে নিউইয়র্কে পৌঁছাবেন, এরপর নিউইয়র্কের আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন বলে জানা যায়।
এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গোটা প্রক্রিয়ায় সম্ভবত কয়েকশ সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকতে পারেন। তবে ট্রাম্পকে হাতকড়া পরানো হবে না। সাধারণত যেসব সন্দেহভাজন ব্যক্তির পালানো বা নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে, কেবল তাদেরই হাতকড়া পরানো হয়।
.png)
আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর্যন্ত চলতে পারে এ শুনানি। এসময় ট্রাম্পকে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনানো হবে।
আরো পড়ুন>> ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না ইমরান খান
ট্রাম্পের শুনানি ও আত্মসমর্পণকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্ক সিটি আদালতের চারপাশে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সেখানে একযোগে কাজ করছে এফবিআই, এনওয়াইপিডি, সিক্রেট সার্ভিস এবং নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ।
অনেকেই ধারণা করছেন, ট্রাম্প আদালতে পৌঁছানোর সময় পুরো এলাকা লকডাউন করে দেওয়া হতে পারে। তারা সম্ভাব্য পরিস্থিতিগুলোর জন্য প্রস্তুত হচ্ছে, যার মধ্যে ট্রাম্প, প্রসিকিউটর, বিচারক বা জনসাধারণের সদস্যদের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঝুঁকি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সূত্র জানায়, জেলা অ্যাটর্নির অফিস এরই মধ্যে ‘অনেক হুমকি’ পেয়েছে।
ম্যানহাটানের ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগের কার্যালয় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘোষণা দিয়েছে, তারা শুনানির তারিখ নিয়ে আলোচনার জন্য ট্রাম্পের দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তবে কী বিষয়ে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা প্রকাশ করা হয়নি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক নিপীড়ন’ বলে অভিহিত করেছেন। অ্যাটর্নি ব্র্যাগকে তিনি ‘কলঙ্ক’ বলে আক্রমণ করেছেন এবং ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, এই সিদ্ধান্ত ২০২৪ সালের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদেরই ক্ষতি করবে।
উল্লেখ্য, সাবেক পর্নো তারকা স্টর্মিকে ‘হাশ মানি’ দেওয়ার অভিযোগে শাস্তি পেতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্টর্মির অভিযোগ, মুখ বন্ধ করার জন্য তাকে ঘুস হিসেবে টাকা দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
সূত্র: বিবিসি