সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে এসে কেইল বলেন, ‘আমার শুক্রাণু পাওয়ার জন্য নারীদের এ বার প্রতিদ্বন্দিতা করতে হবে। আমি শুক্রাণু দান করে রোজগার করি না। এই কাজ আমি বিনামূল্যে করি। তাই একাধিক নারী বিভিন্ন সময়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সবার নাকি আমার শুক্রাণু চাই! আমি এ বার একটি টিভি শো চালু করব। যেখানে আমার শুক্রাণু পেতে হলে নারীদের প্রতিযোগিতায় নামতে হবে।’
ইনস্টাগ্রামে কেইলের লক্ষ লক্ষ অনুরাগী। আর সেখানেই নারীরা তার কাছে শুক্রাণু দানের জন্য অনুরোধ করেন। নেটমাধ্যমে কেইল নিজেই জানিয়েছেন, শুক্রাণু দান করাই তার নেশা।
.png)
আরো পড়ুন>> পতনের ঝুঁকিতে যুক্তরাষ্ট্রের ১৮৬ ব্যাংক
বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও কেইলের দাবি, মাঝেমধ্যেই অনলাইনে বিভিন্ন দেশ থেকে সন্তানধারণে ইচ্ছুক নারীরা যোগাযোগ করেন তার সঙ্গে। পৃথিবীর একাধিক দেশে শুক্রাণুদাতার পরিচয় গোপন রাখা হয়। তবে কেইল এই গোপনীয়তা খুব একটা পছন্দ করেন না। বরং যারা তার শুক্রাণু নিচ্ছেন, তাদের সঙ্গে আগে থেকে আলাপ করতে পছন্দ করেন।
কেইল বলেন, ‘আমার সঙ্গে এত নারী যোগাযোগ করেন যে, কাকে আমি শুক্রাণু দেব, তা আমি বুঝে উঠতে পারি না। তাই টিভি শোয়ে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তাদের বাছাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি শুক্রাণু দিতে চাই বলে আমি কোনও নারীর সঙ্গে মিলন করি না, কেবল স্বমেহনের মাধ্যমেই শুক্রাণু সংগ্রহ করি। সেবাই আমার কাছে বড় ধর্ম। আমি এই কাজ তত দিন চালিয়ে যাব, যত দিন নারীদের আমার প্রয়োজন পড়বে। তবে এত নারীর আর্জি রাখা আমার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না।’
কেইলের দাবি, নিজের সব সন্তানকেই সমান ভালবাসেন তিনি।
সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট, আনন্দবাজার