গত মাসে ইউক্রেন সংকট রাজনৈতিক মীমাংসার জন্য ১২ দফার শান্তি প্রস্তাব রাখে বেইজিং। ওই প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হতে পারে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের। শি তার মস্কো সফরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গেও ভার্চ্যুয়ালি কথা বলতে পারেন।
২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারিতে রুশ বাহিনী ইউক্রেনে অভিযান শুরুর পর এটিই হতে যাচ্ছে চীনা প্রেসিডেন্টের প্রথম রাশিয়া সফর। এই যুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষে স্পষ্টভাবে সমর্থন না দিলেও পুতিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ধরে রেখেছেন শি।
.png)
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গত সপ্তাহে পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার পর থেকে চীনা প্রেসিডেন্টই হবেন প্রথম বিশ্বনেতা যিনি পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
আরো পড়ুন>> বিশ্ব বাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম
তবে ইউক্রেনে আগ্রাসন শুরুর আগে অবশ্য বেইজিং সফর করেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। তখন শি জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনে পুতিনের আক্রমণ করার পরিকল্পনা সম্পর্কে স্পষ্ট ছিলেন না তিনি।
উভয় নেতা সেসময় চীন-রাশিয়ার অংশীদারিত্বে ‘কোনও সীমা’ না রাখার ব্যাপারে সম্মত হন। এছাড়া ইউক্রেন আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে রাশিয়ার সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্কও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
অবশ্য চীন এখন পর্যন্ত রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতে নিজেকে নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করে এসেছে এবং পূর্ব ইউরোপের এই দেশটিতে রুশ আগ্রাসন শুরুর পর থেকে সেটির নিন্দাও জানায়নি বেইজিং। এমনকি রাশিয়ার আগ্রাসনকে ‘আক্রমণ’ বলা থেকেও বিরত রয়েছে চীন।
সূত্র: রয়টার্স