গত রোববার (০৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রে এ ঘটনা ঘটে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, লস অ্যাঞ্জেলস থেকে বোস্টনগামী ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে এমন কাণ্ড ঘটান ফ্রান্সিসকো সেভেরো তোরেস নামের ৩৩ বছর বয়সী এক যুবক। তার এমন আচরণে উড়োজাহাজের ভেতর সবাই ভীত হয়ে পড়েছিলেন।
.png)
উড়োজাহাজটি বোস্টনের লোগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পরই ফ্রান্সিসকো সেভেরোকে গ্রেফতার করা হয়।
আরো পড়ুন>> তুরস্কে নির্বাচনে এরদোগানের বিরুদ্ধে লড়বেন কিলিচদারোগলু
সিএনএন জানায়, উড়োজাহাজটি অবতরণ করার প্রায় ১ ঘণ্টা আগে কেবিন ক্রু উড়োজাহাজের দরজা খোলার একটি সতর্কতা সংকেত পান।
এরপর বিষয়টি তদন্ত করতে গিয়ে তিনি দেখতে পান, দরজাটির লকটি ‘পুরোপুরি বন্ধের’ অবস্থান থেকে সরানো হয়েছে এবং এটি জরুরি লকটিও ঘোরানো হয়েছে।
কেবিন ক্রুরা তাৎক্ষণিকভাবে ফ্রান্সিসকোকে সন্দেহ করেন। কারণ তাকে দরজার কাছে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গিয়েছিল।
যখন একজন কেবিন ক্রু তার কাছে যান, তখন ফ্রান্সিস উত্তেজিত হয়ে জিজ্ঞেস করেন, তিনি যে দরজা খোলার চেষ্টা করেছেন সেটির কোনো প্রমাণ আছে বা ক্যামেরায় কী এমন কিছু ধরা পড়েছে?
আরো পড়ুন>> মিয়ানমারে দুই গ্রামে সেনাবাহিনীর তাণ্ডব, নিহত ১৭
ফ্রান্সিসের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে বিচলিত হয়ে কেবিন ক্রু উড়োজাহাজের পাইলটকে জানান, ফ্রান্সিস উড়োজাহাজের অন্য যাত্রীদের জন্য হুমকি হয়ে ওঠেছেন এবং উড়োজাহাজটি যত দ্রুত সম্ভব অবতরণ করাতে হবে। এরপর ফ্রান্সিস আরও উত্তপ্ত হয়ে কেবিন ক্রুকে ভাঙা চামচ দিয়ে গলার কাছে তিনবার আঘাত করেন।
এদিকে ফ্রান্সিসের বিরুদ্ধে এখন ‘ফ্লাইট ক্রু সদস্যের কাজে বাধা এবং প্রাণঘাতী অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চেষ্টার’ অভিযোগ আনা হয়েছে। আর এ অভিযোগ প্রমাণিত হলে, ফ্রান্সিসের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার জরিমানা করা হতে পারে।