শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজস্থানের উদয়পুর শহরে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংকের একটি লকারে ২ লক্ষ ১৫ হাজার রুপি (বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ লাখ ৭২ হাজার টাকা) গচ্ছিত রেখেছিলেন সুনিতা মেহতা নামের এক গ্রাহক। কিন্তু সম্প্রতি সেই লকার খুলতে গিয়ে মাথায় হাত ওঠে তার।
.png)
তিনি দেখেন, অসংখ্য উইপোকা বাসা বেঁধেছে লকারের ভিতরে। টাকার উপরে কিলবিল করছে সেগুলি। টাকার বান্ডিলগুলিও আর আস্ত নেই। সেগুলি কেটেকুটে এমন অবস্থা হয়েছে যে ব্যবহার করা যাবে না।
আরো পড়ুন>> ধ্বংসস্তূপের ভেতর নিজের প্রস্রাব খেয়ে বেঁচে ছিলেন তুর্কি কিশোর
নিজের কষ্টার্জিত টাকার এই হাল দেখে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই গ্রাহক। ব্যাংকের অন্যান্য গ্রাহকদেরও মাথায় হাত ওঠে।
জানা যায়, ব্যাংকের আরো ২০-২৫টি লকারে হানা দিয়েছে এই উইপোকা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে পড়ছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ভূমিকা। গ্রাহকরা বলছেন, লকারে যা রাখা হচ্ছে, সেটা সুরক্ষিত রাখাটা ব্যাংকেরই দায়িত্ব। কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সেটা করেনি। তাছাড়া ব্যাংকে পেস্ট কন্ট্রোলের কোনও ব্যবস্থাও নেই।
এমনিতে লকারে কোনও গ্রাহক টাকা রাখলে তার দায়িত্ব গ্রাহককেই নিতে হয়। কত টাকা রাখা হল সেটাও দেখে না ব্যাংক। লকার সুরক্ষিত রাখা ছাড়া আর কোনও কাজ থাকে না ব্যাংকের। তবে এই অভাবনীয় পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের কথা মানবিকভাবে ভাবা হবে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকের ম্যানেজার। ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পুরো ঘটনা জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে গ্রাহকরা টাকা ফেরত পাবেন কিনা, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়।