ঢাকা,  সোমবার   ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

ফরিদপুরে কাল বৈশাখীর তাণ্ডব 

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৩৭, ৯ মে ২০২০
ফরিদপুরে কাল বৈশাখীর তাণ্ডব 
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ফরিদপুরের মধুখালীতে কাল বৈশাখীর তাণ্ডবে প্রায় শতাধিক বসতবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ঝড়ে অসংখ্য গাছপালা উপড়ে গেছে। শুক্রবার রাতে মধুখালী পৌরসভা ও মেঘচামী ইউপির কয়েকটি গ্রামের ওপর দিয়ে এ ঝড় বয়ে যায়। 

এলাকাবাসী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হয়। এতে পৌরসভার গোন্দারদিয়া, আলমপুর, মেছরদিয়া, গোপালপুর, মহিষাপুর, গাড়াখোলা এবং উপজেলার মেগচামী ইউপির মেগচামী, বামুন্দিকলাগাছি, রামদিয়া, রুকুনিসহ অন্তত ১৫টি গ্রাম ও মহল্লার ওপর দিয়ে এ ঝড় বয়ে যায়। 

ঝড়ে বিভিন্ন গ্রাম ও মহল্লার শতাধিক কাঁচা ও আধাপাকা বসতবাড়ি সহ ঘড়বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া উপড়ে গেছে অসংখ্য গাছ। গাছ পড়েও অনেক ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঝড়ে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। 

মধুখালী পৌর মেয়র খন্দকার মোরশেদ রহমান বলেন, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে ক্ষতিগ্রস্তদের মানবেতর জীবনযাপন করতে দেখেছি। ওই ঝড়ের পর থেকে মধুখালী পৌ এলাকার বেশির ভাগ জায়গায় বিদ্যুুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। 

মেগচামী ইউপি চেয়ারম্যান হাসান আলী খান জানান, ঝড়ের কারণে শুধুমাত্র বামুন্দিকলাগাছি গ্রামে অন্তত ২০টি বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। 

তিনি বলেন, ব্যাপক হারে শিশু ও মেহগনি গাছ উপড়ে পড়ায় ঝড়ের পরে অনেক সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গতকাল সকাল থেকে উপড়ে পড়া গাছ অপসারণ করে সড়ক যোগাযোগ চলা কারার উদ্যোগ নেয়া হয়। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কার্তিক চন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, বোরো ধান বা পাটের কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে বেশ কিছু মরিচ গাছ হেলে গেছে। তবে হেলে পড়া কোনো সমস্যা নয়। 

মো. মোস্তফা মনোয়ার বলেন, পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলর, ইউপি চেয়ারম্যান ও ওয়ার্ড সদস্যদের ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করতে বলা হয়েছে। পরে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকারি সাহায্য বিতরণ করা হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!