কেয়ার সাতকাহন
ঢাকাই ছবির গ্ল্যামার গার্ল সাবরিনা সুলতানা কেয়া। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই কাজ করছেন প্রথম সারির নায়কদের বিপরীতে। টিন বয়সে সিনেপাড়ায় পা রাখা কেয়ার ব্যস্ততা এখনও আগের মতো। মুক্তির অপেক্ষায় আছে বেশ কয়েকটি ছবি।
কেয়া জানালেন, সম্প্রতি অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছেন সরকারি অনুদানের ছবি ‘অপারেশন জ্যাকপট’–এ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন রাজীব বিশ্বাস ও দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। কাজটি প্রসঙ্গে কেয়া বলেন, ইতিহাসনির্ভর একটি ছবির অংশ হতে পেরে ভালো লাগছে। যদিও আমার একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে কাজের কথা ছিল। ব্যস্ততার জন্য সময় দিতে পারিনি। তারপরেও ছবিটির সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত।
জানা গেছে, গেল কয়েক বছরে ৮টি ছবির কাজ শেষ করেছেন কেয়া। যার মধ্যে গত বছর মুক্তি পায় রকিবুল আলম রকিবের ‘কথা দিলাম’। একই নির্মাতার ‘সীমানা’ ও ‘ইয়েস ম্যাডাম’ মুক্তির অপেক্ষায় আছে। মেহেদী হাসানের ‘জল জোছনা’, আলী আজাদের ‘বনলতা’, জসিমের ‘পরানের পরান’, ইভান মল্লিকের ‘মুনাফিক’ ও সাজ্জাদ খানের ‘কাঠগোলাপ’ ছবিগুলোও মুক্তির তালিকায় আছে বলে জানান কেয়া।
কেয়া ছবিগুলোতে করা চরিত্র প্রসঙ্গে বলেন, যে ছবিগুলোয় কাজ করলাম সবগুলোর নাম বেশ চমৎকার। একেকটি চরিত্র অন্যটির চেয়ে আলাদা। যেমন – ‘কাঠগোলাপ’ ছবিতে আমি একজন শিক্ষকের ভূমিকায় অভিনয় করেছি। এ ধরনের গল্পে আগে বাংলাদেশে কখনও কাজ হয়নি। ছবিটি দেশের বাইরে বিভিন্ন উৎসবে প্রশংসিত হচ্ছে। সম্মাননা পাচ্ছে। আশা করি বাংলাদেশের দর্শকও ছবিটি দেখার সুযোগ পাবেন।
কেয়া ক্যারিয়ারের এ পর্যায়ে এসে চরিত্রের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ছবিগুলো সে কথাই বলবে বলে বিশ্বাস এ সুন্দরীর। হালে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ওয়েব প্ল্যাটফর্ম নিয়েও নিজের অবস্থান তুলে ধরলেন তিনি, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কাজের ইচ্ছে আছে। ভিন্নধর্মী কোনও চরিত্র হলে, যদি পছন্দ হয় কাজ করবো।
বড়পর্দার ব্যস্ততার মাঝেও কেয়া সম্প্রতি হারলান কসমেটিকসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন। এ প্রসঙ্গে লাস্যময়ী কেয়া বললেন, যে প্রোডাক্ট দেশের বাইরে থেকে আনতে হতো তা দেশেই পাওয়া যাচ্ছে হারলানের মাধ্যমে। সেগুলো গুণগত মানসম্পন্ন। অরিজিনাল প্রোডাক্ট। সারাদেশে হারলানের ১০০০ টি শোরুম চালু হয়ে যাবে শিগগির। এমন একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে পেরে ভালো লাগছে।