মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে পাবনা শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে পাবনা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় কুমার সাহা গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
.png)
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, পাবনা শহরের কালাচাঁদপাড়া এলাকার মেহেদী মাসুদ (২৬), চক রামচন্দ্রপুরের মাহমুদুল হাসান সাজিদ (২৩), শালগাড়িয়া ফরেস্টপাড়ার হারুন অর রশিদ (২৭)।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগী ছাত্রী পাবিপ্রবির ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। ২০২২ সালে তার সঙ্গে কালাচাঁদপাড়ার মেহেদী মাসুদের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে পারিবারিক চাপের কারণে মেহেদী অন্যত্র বিয়ে করেন, যার ফলে চলতি বছরের মে মাসে তাদের সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।
গত সোমবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে মেহেদী মোবাইল ফোনে ভুক্তভোগীকে ডেকে চা খাওয়ার প্রস্তাব দেন। পরে তাকে মোটরসাইকেলে শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেরিল বাইপাসের ফরেস্ট এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে একটি পরিত্যক্ত ঘরে মেহেদী ও তার দুই সহযোগী পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করেন।
পরে ঐ মেয়ের অবস্থা বেগতিক দেখে তিনজন মিলে মেয়েটিকে একটি অটোরিকশায় তুলে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা করেন এবং নিজেরা পালিয়ে যান। বাড়ি ফিরে ভুক্তভোগী তার পরিবারকে পুরো ঘটনা খুলে বলেন।
পাবনা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় কুমার সাহা জানান, ’এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা নথিভুক্ত করা হয়। মামলা নম্বর ২৪। পরে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।’
তিনি আরো জানান, ‘বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভুক্তভোগী ছাত্রীর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’