সোমবার (১০ জুলাই) রাতে সংগঠনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মো. জহির রায়হানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক হুমায়রা হক, মো. ইকরাম আনসার তুহিন ও জান্নাতুল নাঈম এবং সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সায়মা জাহানসহ সাধারণ সদস্যবৃন্দ।
.png)
এ সময় হুমায়রা হক বলেন, এন্টোমলজি বা বাংলায় কীটতত্ত্ব যা জীববিজ্ঞানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা। যেখানে বিভিন্ন কীটপতঙ্গ নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়। যদিও কাঠামোগত বিজ্ঞানের আলোকে কীটপতঙ্গ নিয়ে গবেষণা ও কাজ মাত্র কয়েক শতকের। কিন্তু পোকামাকড় সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ ও জানাশোনা সেই প্রাগৈতিহাসিক আমল থেকে, অন্তত কৃষি বিপ্লবের সময় থেকে। পৃথিবী নামক এই সবুজ গ্রহে যত জীব দেখতে পাওয়া যায় তার অর্ধেকের বেশি অংশ জুড়ে আছে কীটপতঙ্গ (ইনসেক্টস)।
তিনি আরো বলেন, আমার ছাত্রজীবন থেকেই এমন একটি সংগঠনের স্বপ্ন ছিল আজ তা পূরণ হয়েছে দেখে আমি আনন্দিত। আশাকরি এই সংগঠনের মাধ্যমে আমরা সবাই মিলে ভালো কাজ করতে পারব।
ইকরাম আনসার তুহিন বলেন, আমাদের মধ্যে পোকামাকড় নিয়ে নানারকম ভীতি রয়েছে, যাকে এন্টোমোফোবিয়া বলা হয়ে থাকে। আশা করি এ সংগঠন সাধারণ মানুষের মধ্যে পোকামাকড় এর গুরুত্ব ও উপকারিতা ছড়িয়ে দিয়ে এ ভীতি দূর করায় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন প্রভাষক জান্নাতুল নাঈম। তিনি বলেন, এ সোসাইটির পক্ষ থেকে গবেষণার বিভিন্ন সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণার বিভিন্ন দ্বার উন্মোচন ও তাদের গবেষণায় আগ্রহী করে গড়ে তোলা যেতে পারে। এছাড়াও বিভিন্ন এক্সিবিশন, কৃষিবিদদের সঙ্গে গবেষণা কাজে কোলাবোরেশানসহ এন্টোমলজির বিভিন্ন রিসোর্সগুলোতে কাজ করার একটা সুযোগ তৈরি হবে এ সংগঠনের মাধ্যমে।