রোববার (৮ মার্চ) সকালে উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা গ্রামের পূর্বপাড়ায় সরেজমিনে কথা হয় প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের সঙ্গে।
জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে প্রায়ই একমাত্র ছেলে সবুজ মিয়া (আরব আলী) মা হাজেরা খাতুন (৬৮)-কে মারধর করতেন। এরই জেরে অভিমান করে গত ৪ মার্চ ভোরে বিষপান (কীটনাশক) করেন তিনি। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং তিনদিন পর শনিবার (৭ মার্চ) বিকেলে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
.png)
সবুজ মিয়ার ভাতিজা তৌহিদ মিয়া, সুলতান মিয়া এবং সবুজ মিয়ার পালিত এক ভাইসহ অনেকের দাবি, হাজেরা খাতুন মানসিকভাবে অস্বাভাবিক ছিলেন। তিনি এর আগে কয়েকবার বাড়ি থেকে হারিয়েও গিয়েছিলেন। কারো সঙ্গে ঝগড়া করে বিষপান করেছিলেন - বিষয়টি এমন নয়। অভিমান করে হয়তো বিষপান করতে পারেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. উসমান মিয়া বলেন, মা-ছেলের মধ্যে প্রায়ই ঝামেলা লেগে থাকত। ছেলে তার মাকে মারধরও করত। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে তা সমাধানের চেষ্টাও করেছি অনেকবার।
তিনি আরো বলেন, শুনেছি ঘটনার আগেও হাজেরা খাতুনকে মারধর করা হয়েছিল।
এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মেহেদী মাকসুদ জানান, এরইমধ্যে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এই ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। অভিযোগের প্রস্তুতি চলছে। মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। ময়নাতদন্ত শেষে রিপোর্ট ও অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।