রোববার (৮ মার্চ) সকাল ৯টায় উপজেলার ওসমানপুর খেয়াঘাট এলাকা থেকে নিখোঁজের প্রায় ১৯ ঘণ্টা পর ওই শিশুর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত তাইবা একই এলাকার ফারুকের মেয়ে। এ ঘটনায় এখনো নদীতে নিখোঁজ রয়েছে সুরাইয়া (৮) নামে আরেক শিশু। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বজন ও নিখোঁজের পরিবারে চলছে শোকের মাতম।
জানা যায়, গতকাল দুপুরে ওসমানপুর খেয়াঘাট এলাকায় চার শিশু নদীতে গোসলে নেমে সাঁতার কেটে মাঝনদীতে জেগে ওঠা চরের দিকে যাওয়ার সময় স্রোতের কবলে পড়ে যায়। এ সময় খেয়াঘাটে থাকা নৌকার মাঝিরা সামিয়া ও সুমাইয়া নামে দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করলেও তাইবা ও সুরাইয়া নিখোঁজ হয়। আজ সকাল ৯টায় তাইবার মরদেহ উদ্ধার করা হলেও সুরাইয়া এখনো নিখোঁজ রয়েছে। তাইবা ও সুরাইয়া দুজনই ওসমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
.png)
খোকসা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ইউনিট কর্মকর্তা রওশন আলী বলেন, নিখোঁজ দুই শিশুর মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অপর শিশুকে উদ্ধারে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালাচ্ছেন স্থানীয় জেলেরা ও ডুবুরি দল।