নিহত নারীর নাম ফারজানা আক্তার প্রিয়া (২৮)। তিনি ঐ এলাকার নুরুল আবসারের ছেলে মেসবাহ উদ্দিন রানার স্ত্রী। ফারজানা একই উপজেলার ১৫ নম্বর ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের নজর আলী ভূঁইয়া বাড়ির বাসিন্দা মোমিনুল ইসলামের মেয়ে।
পরিবারের সদস্যদের বরাতে জানা গেছে, প্রায় ১০ বছর আগে পারিবারিকভাবে মেসবাহ উদ্দিন রানার সঙ্গে ফারজানার বিয়ে হয়। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনে তাদের কোনো সন্তান হয়নি। সম্প্রতি তিনি অন্তঃসত্ত্বা হন। তবে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় স্বামী তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন।
.png)
নিহতের ভাই মো. জিদান জানান, তার বোনের স্বামী মাদকাসক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময় নির্যাতন করতেন। দীর্ঘদিন নিঃসন্তান থাকার পর ফারজানা অন্তঃসত্ত্বা হলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। শনিবার ইফতারের কিছুক্ষণ পর তিনি খবর পান, তার বোন আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি পুলিশকে দেখতে পান। তার দাবি, মানসিক নির্যাতনের কারণেই তার বোনের মৃত্যু হয়েছে এবং তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চান।
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ওসি কাজী নাজমুল হক জানান, ফারজানা আক্তার নামের এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।