এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় নিজ বসতঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গৃহবধূ হাসিনা বেগমকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান প্রতিবেশীরা। উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গৃহবধূ হাসিনা বেগম উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের পাঙাশিয়া এলাকার দুলা মিয়া বাড়ির মো. মনিরের স্ত্রী। তিনি ৪ সন্তানের জননী ছিলেন।
.png)
ওই গৃহবধূর ভাই মো. সালাউদ্দিন জানান, চাকরির সুবাধে হাসিনার স্বামী ঢাকায় থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় থাকা হাসিনার সঙ্গে তার ননদ ও বেয়াই-বেয়াইনের ঝামেলা চলছিল। এর কোনো প্রতিকার না পেয়েই হয়তো অভিমান করে নিজ বসতঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে দড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। ওই সময় বসতঘরে কেউ ছিল না। তবে এর কিছুক্ষণ পর হাসিনার মেয়েরা ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ দেখে ডাক-চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা এগিয়ে যান। তারা ঘরের টিন খুলে ভেতরে প্রবেশ করে হাসিনাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর সেখান থেকে নামিয়ে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
লালমোহন থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় আপাতত অপমৃত্যুর একটি মামলা দায়ের হয়েছে।