বুধবার দুপুরের দিকে শহরের অনিমা চৌধুরী অডিটোরিয়ামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মো. মাহিন সরকার, কুররাতুল আইন কানিজ, ইফতেখার আলম, ফয়সাল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, অনিমা চৌধুরী অডিটোরিয়ামে ছাত্র আন্দোলনে নাটোরে নিহত শিক্ষার্থীদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আলোচনা শুরু হলে অন্য গ্রুপের শিক্ষার্থীরা সেখানে ঢুকে পড়েন। এরপর সবাইকে চেয়ারে বসতে বলা হলে উল্টো আয়োজকদের সঙ্গে উত্তেজিত হয়ে হয়ে পড়েন তারা। একপর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কেন্দ্রীয় সমন্বয়করা সবাইকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েও ব্যর্থ হন। খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
.png)
তবে শিক্ষার্থীদের অন্য একটি পক্ষের দাবি, যারা প্রকৃতপক্ষে নাটোরের আন্দোলনে আহত হয়েছেন তাদেরকে আয়োজনে না রাখায় ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন শিক্ষার্থীরা। তাই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তারা ছাত্র সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে নাটোরের কয়েকজন ছাত্রের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও অনৈতিক সুবিধা নেয়ার প্রতিবাদও করেন।
এ বিষয়ে নাটোর সদর থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, বিকেলে কলেজ মাঠে সমন্বয়কদের নিয়ে ছাত্রদের একটি সভা হওয়ার কথা ছিল। সেখানে ছাত্ররা মঞ্চ সাজ-সজ্জার করছিল। এ সময় তাদের মধ্যে মতের অমিল হলে মঞ্চের কাপড় ছিঁড়ে ফেলেন এবং কয়েকটি চেয়ার ভেঙে ফেলেন। এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ শান্ত আছে।