সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সী সেইফ লাইফ গার্ডকর্মী জয়নাল আবেদীন জানান, জোয়ারের পানির সঙ্গে মরদেহটি ভেসে এসেছিল। তবে আইনি জটিলতার কারণে প্রথমে উদ্ধার করা না হলেও পরে ফটোগ্রাফার ও কিছু পর্যটক মিলে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
নিহত সেলিমের স্বজন হুমায়ুন বলেন, দুইদিন আগে তারা চার ভাই একসঙ্গে শখের বশে মাছ শিকারে গিয়েছিলেন। এ সময় স্রোতের তোড়ে সেলিম তলিয়ে যান। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার মরদেহ পাওয়া যায়নি। পরে ফেসবুকে ছবি দেখে মরদেহটি শনাক্ত করা হয়।
.png)
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মো. রকিবুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।