সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলী, কবিতা চত্বর, শৈবাল ও ডায়াবেটিস পয়েন্টের বালিয়াড়িজুড়ে পড়ে আছে প্লাস্টিকের বোতল, খড়, নাস্তার প্যাকেট, কাঁচের বোতল, পলিথিন, প্লাস্টিকের দড়ি, কাঠ ও বাঁশের টুকরো। এসব বর্জ্যের কারণে পর্যটকদের হাঁটাচলায় বিঘ্ন ঘটছে, সেইসঙ্গে পর্যটকদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এসব আবর্জনা। মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত বর্জ্যগুলো অপসারণের কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। চোখে পড়েনি বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির পরিচ্ছন্নতা কর্মীদেরও।
সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটক জিল্লুর রহমান জানান, এসব ময়লা সমুদ্র সৈকতের পরিবেশ নষ্ট করে ফেলেছে। বালিয়াড়িতে ময়লাগুলো দেখতে খুব বিশ্র লাগছে। সংশ্লিষ্টদের উচিত দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব আবর্জনা পরিষ্কার করে নেয়া।
.png)
সি সেইফ লাইফ গার্ডের কর্মী জয়নাল আবেদীন টিপু বলেন, দুপুরে জোয়ারের পানিতে এসব বর্জ্য ভেসে আসে। যা কলাতলী থেকে ডায়াবেটিস পয়েন্ট পর্যন্ত বিস্তৃত। কিন্তু বর্জ্য পরিষ্কারে কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি। জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেল সৈকতের সবকিছু দেখাশুনা করে। তবে মঙ্গলবার পর্যটন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটকে বদলি করা হয়েছে। তার স্থলে এসেছেন নতুন ম্যাজিস্ট্রেট। তাই বর্তমানে এক প্রকার অভিভাবকহীন বিশ্বের এই দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. আতাউল গণি ওসমানী বলেন, আবর্জনাগুলো সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। সন্ধ্যা থেকে ওইসব এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দায়িত্ব পালন করছে। আশা করছি বুধবার সকালের মধ্যেই সমুদ্র সৈকতের ময়লাগুলো পরিষ্কার হয়ে যাবে।