রোববার জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, সাত শিক্ষার্থী মিলে চাঁদপুরের বড় স্টেশন ঘাট থেকে নৌকায় মেঘনায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। কিছুদূর যাওয়ার পর নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এরপর নদীর স্রোতে ভেসে চাঁদপুরের মেঘনা নদীর বহরিয়া নামক স্থানে চলে আসে তাদের নৌকা, ঢেউয়ের তোড়ে বিকল নৌকা তখন নদীতে নিয়ন্ত্রণহীন ভাসছিল। পরবর্তীতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেয় জুয়েল রানা নামের একজন। নিয়ন্ত্রণহীন নৌকায় থাকা জুয়েল দ্রুত তাদের উদ্ধারে অনুরোধ করেন।
.png)
কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯ কলটেকার কনস্টেবল আল-ইমরান। ইমরান কলারকে আশ্বস্ত করে শান্ত হতে বলেন এবং চাঁদপুর নৌ-পুলিশ থানায় বিষয়টি দ্রুত উদ্ধারের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জানায়। উদ্ধার সংশিষ্ট নৌ-পুলিশ টিম ও কলারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছিলেন ৯৯৯ ডিসপাচার এসআই মো. মান্নান।
খবর পেয়ে চাঁদপুর নৌ-পুলিশ থানার একটি উদ্ধারকারী দল অবিলম্বে ঘটনাস্থলে গিয়ে আটকে পড়া সাত ছাত্রকে উদ্ধার করে নিরাপদে তীরে নিয়ে আসে। উদ্ধার পরবর্তীতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর নৌ-পুলিশ থানার ওসি মো. মনির হোসেন।