গ্রেফতারকৃত আজিজুল হক ফেন্সি শহরের বিশ্বাসপাড়ার আবুল কাশেমের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শহরের কাশিয়াবাড়ি এলাকার একটি কওমি হাফেজিয়া মহিলা মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণিতে পড়াশুনা করত নওগাঁর এক শিশু শিক্ষার্থী। ঈদের ছুটি হলেও মাদরাসাতে মাসিক বেতন বকেয়া থাকায় ওই শিক্ষার্থীকে ছুটি দেয়নি আজিজুল হক ফেন্সি। ঈদের ছুটির সময়ে ওই শিক্ষার্থীকে বাগানবাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন তিনি। এরপর তাকে মাদরাসায় আটকে রাখেন।
.png)
রোববার মেয়েটি মাদরাসা থেকে পালিয়ে বান্ধবীর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এ সময় তার বান্ধবীর পরিবারের সদস্যদের কাছে ধর্ষণের বিষয় জানান। পরে তারা তাৎক্ষণিক ওই ছাত্রীকে জয়পুরহাট থানায় নিয়ে গেলে মেয়ের বাবা মামলা দায়ের করেন। এরপর রাতেই আজিজুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
ধর্ষণের শিকার ছাত্রী জানায়, মাদরাসার মাসিক বেতনের বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে পারেনি তার পরিবার। এ জন্য মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আজিজুল হক ফেন্সি তাকে বাড়িতে যেতে দেয়নি। পরে তিনি তার বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। তাকে বাবা ডেকেও রেহাই পায়নি বলে জানায় ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চায় শিক্ষার্থী।
গ্রেফতারের মুহূর্তে আজিজুল হক ফেন্সি বলেন, তার ভুল হয়েছে। আবার কখনো বলেন ষড়যন্ত্র করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
জয়পুরহাট থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে একটি মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা আজিজুল হক ফেন্সি নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।