সোমবার (১০ জুন) সকালে উপজেলার বিষ্ণুপুরে গ্রামের ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মনিরুলের দাফন সম্পন্ন করা হয়। তার মৃত্যুতে তার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।
এর আগে, শনিবার (৮ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনে ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে সহকর্মীর গুলিতে নিহত হন মনিরুল হক। তিনি আটপাড়া বিষ্ণুপুরে গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত শামসুল হকের ছেলে। মনিরুলরা তিন ভাই তিন বোন। সবার ছোট মনিরুল।
.png)
এদিকে, নিহত মনিরুলের স্ত্রী তানিয়া আক্তার তন্বী দুই বছরের শিশুসন্তান তাকিকে জড়িয়ে ধরে বিলাপ করছেন। মনিরুলের বৃদ্ধা মা দেলোয়ারা হক ছেলের শোকে কান্নায় বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন।
আটপাড়া থানার ওসি তাওহীদুর রহমান বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা। ঘাতক যেই হোক না কেন তার বিচার নিশ্চিতে পুলিশ কাজ করবে।
জানা যায়, ২০১৬ সালের শেষের দিকে পুলিশের চাকরিতে যোগ দেন মনিরুল। চাকরিতে থাকা অবস্থায় তিন বছর আগে জেলার পূর্বধলা উপজেলায় তানিয়া আক্তার তন্বীকে বিয়ে করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে রাজধানীর বারিধারায় সহকর্মীর গুলিতে নিহত হন কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন জাপান দূতাবাসের এক গাড়িচালকও। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারকৃত কনস্টেবল কাউসার রিমান্ডে রয়েছেন।