আহত শামীমকে উদ্ধার করে ফরিদপুরের বিএসএমএমসি কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্ফোরণ তার ডান চোখ, ডান হাতের দুটি আঙুল এবং কনুইয়ের গোশত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে শামীম আহত হয় বলে একটি সূত্র জানালেও পুলিশ সেটি নিশ্চিত করতে পারেনি। তারা বলছে, পাইপের মধ্যে বিস্ফোরকজাতীয় কিছু ঢোকানোর সময় এ বিস্ফোরণ ঘটে। তবে তারা সেখানে বোমা তৈরির কোনো আলামত পাননি।
.png)
আহত শামীম হোসেন সালথা উপজেলার লক্ষ্মণদিয়া গ্রামের মঙ্গল মোল্যার ছেলে। তিনি চরকমলাপুর জোড়া ব্রিজ সংলগ্ন জনৈক মনির হোসেনের গ্যারেজের কর্মচারী।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ঐ গ্যারেজের বিস্ফোরণের আওয়াজ শুনতে পেয়ে স্থানীয়রা ছুটে যান। তারা শামীমকে আহতাবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। খবর পেয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান।
কোতোয়ালি থানার ওসি হাসানুজ্জামান বলেন, আসলে কি ঘটেছিল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে বোমা তৈরির কোনো সরঞ্জাম পাওয়া যায়নি। তাই বোমা তৈরি করা হচ্ছিল কি-না সেটি নিশ্চিত না। তবে ঐ যুবক সম্ভবত পাইপের মধ্যে বিস্ফোরকজাতীয় কিছু ঢুকাচ্ছিলো। আমরা তেমন কিছু আলামত পেয়েছি। শামীমকে জিজ্ঞাসাবাদের পরেই বিষয়টি সঠিকভাবে জানা যাবে।