শনিবার টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রেজাউল করিম বলেন, থেমে থেমে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে। মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রচুর গোলাগুলি হচ্ছে। মনে হচ্ছে তাদের অপারেশন আরো বেশি ভয়ংকর রূপ ধারণ করবে।
.png)
তিনি জানতে পেরেছেন ট্রলারে করে কিছু রোহিঙ্গা সীমান্তে ঢুকে যাচ্ছে। স্থানীয়রা খোঁজ নিচ্ছে, রোহিঙ্গারা কারো বাসা-বাড়িতে অবস্থান করছে কিনা। রোহিঙ্গা পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানান তিনি।
স্থানীয়রা জানায়, সাবরাং ইউনিয়ন, সেন্ট মার্টিন, শাহপরীরদ্বীপ, হোয়াইক্যংয়ের খারাংখালী, ঝিমংখালী, হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার, ওয়াব্রাং, পুরানবাজার, ফুলের ডেইল, চৌধুরীপাড়া, টেকনাফ সদরের আলীখালি, লেদা, মুচনী, জাদীমুড়া, দমদমিয়া, টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যং পাড়া, চৌধুরীপাড়া, কেকে পাড়া, জালিয়াপাড়াসহ অন্তত ৩০টি সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামে বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে।
হোয়াইক্যংয়ের বাসিন্দা দিন মজুর আব্দুল লতিফ জানান, আওয়াজে বাড়িতে ঘুমাতে পারেন না। ক্ষেতে কাজ করতে গেলে ভয়ে ভয়ে কোদাল চালান। কোন সময় গুলি এসে গায়ে লাগে এ ভয়ে থাকেন তিনি।
টেকনাফ সদরের জালিয়া পাড়ার রহমতুল্লাহ বলেন, ঘুমের মধ্যে বাচ্চা জেগে উঠছে মিয়ানমারের গুলির শব্দে।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. খুরশেদ আলম বলেন, গোলাগুলির শব্দ কিছুদিন তেমন শোনা না গেলেও এখন আবার থেমে থেমে বিকট শব্দ শোনা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে মিয়ানমারে দুই পক্ষের মধ্যে ফের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।