টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মো. মহিউদ্দীন আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, মির্জারজোড়া নামক এলাকা দিয়ে মাদকের একটি চালান মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসতে পারে। এমন তথ্যে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন সদর ও নাজিরপাড়া বিওপির দুইটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহলদল ওই এলাকায় গিয়ে কয়েকটি উপদলে বিভক্ত হয়ে বেড়িবাঁধের আঁড় নিয়ে কৌশলগত অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর বিজিবি টহলদল দুইজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে নাফনদী পার হয়ে দুইটি পোটলা হাতে নিয়ে সীমান্তের শূন্য লাইন থেকে আনুমানিক ১ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বেড়িবাঁধ অতিক্রম করে মির্জারজোড়া এলাকার দিকে আসতে দেখে। টহলদল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করলে বিজিবি টহলদলের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের হাতে থাকা পোটলাগুলো ফেলে দিয়ে ঘন কেওড়া বাগানের ভেতরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহলদল চোরাকারবারীদের ফেলে যাওয়া দুইটি পোটলার ভেতর থেকে এক লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
.png)
তিনি আরো জানান,চোরাকারবারীদের শনাক্ত করার জন্য ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।