এর আগে, বৃহস্পতিবার উপজেলার শুয়াগ্রাম ইউনিয়নের নারায়ন খানা বাজারের ইউনাইটেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুল চিকিৎসায় আফরোজার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
প্রসূতি আফরোজা বেগম উপজেলার শুয়াগ্রাম ইউনিয়নের কালারবাড়ি গ্রামের জাহিদুল ইসলাম খানের স্ত্রী। এ ঘটনায় শুক্রবার আফরোজা বেগমের মা মনিকা বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন।
.png)
মামলায় কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রভাষ মন্ডল, ইউনাইটেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ডা. জাহিদ হোসেন রিন্টু, প্রসূতি আফরোজা বেগমের স্বামী জাহিদ খান, শাশুড়ি রানু বেগম, দেবর শামিম খানকে আসামি করা হয়েছে।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রভাষ মন্ডলসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
এদিকে, শুক্রবার কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজিম উদ্দিন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অবৈধ ইউনাইটেট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি সিলগালা করে দিয়েছেন।
প্রসূতি আফরোজা বেগমের মা মনিকা বেগম বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে আমার মেয়েকে নিয়ে ঐ ক্লিনিকে এনে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন ভর্তি করেন। দুপুরে চিকিৎসকরা অপারেশন রুমে নিয়ে যান। প্রায় দুই ঘণ্টা পর তারা জানান, আমার মেয়ে আফরোজা ও তার গর্ভের সন্তান মারা গেছেন। আমার মেয়ে মারা যায়নি, তাকে ও তার সন্তানকে চিকিৎসকরা মেরে ফেলেছে।
তিনি আরো বলেন, আমার মেয়েকে মেরে ফেলার প্রতিবাদ করায় ঐ ক্লিনিকের লোকজন আমাদেরকে মারধর করেছে। আমরা এর বিচার চাই।
কোটালীপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) ফয়েজ আহম্মেদ বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।