এ ঘটনায় মেঘলার বাবা ছগির হোসেন বাদী হয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সবুজ কুমার দাস, হাসপাতালের মালিক ডৌয়াতলা ইউপি চেয়ারম্যান, মিজানুর রহমানসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে বামনা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার পর হাসপাতালের সবাই পলাতক রয়েছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে উপজেলার উত্তর রামনা গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের (তারেক) স্ত্রী মেঘলাকে সুন্দরবন হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করা হয়। রাত ১১টার দিকে অপারেশন করার জন্য তাকে অজ্ঞান করার পর আর জ্ঞান ফিরে আসেনি। রাতেই ডা. সবুজ কুমার কুমার দাস হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান।
.png)
মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় অভিযোগ পেয়ে বামনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তারেক হাসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান এবং বামনা থানার ওসি তুষার কুমার মন্ডল সুন্দরবন হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করেন।
বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. ফজলুল হক বলেন, অনলাইনে আবেদন করা হলেও এই হাসপাতালের নিবন্ধন এখনো হয়নি। অনুমোদনবিহীন হাসপাতাল করার কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বামনা থানার ওসি তুষার কুমার মন্ডল বলেন, মেঘলা আক্তার ও নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে বরগুনা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।