বৃহস্পতিবার উপজেলার শুয়াগ্রাম ইউনিয়নের নারায়ন খানা বাজারের ইউনাইটেড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
প্রসূতি আফরোজা বেগম উপজেলার শুয়াগ্রাম ইউপির কালারবাড়ি গ্রামের জাহিদুল ইসলাম খানের স্ত্রী।
.png)
প্রসূতি আফরোজা বেগমের মা মনিকা বেগম বলেন, সকালে আমার মেয়েকে নিয়ে ইউনাইটেড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভর্তি করি। দুপুরে ডাক্তাররা অপারেশন রুমে নিয়ে যায়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর তারা জানায় আমার মেয়ে আফরোজা ও তার গর্ভের সন্তান মারা গেছে। আমার মেয়ে মারা যায়নি, তাকে ও তার সন্তানকে ডাক্তাররা মেরে ফেলেছে।
তিনি আরো বলেন, আমার মেয়েকে মেরে ফেলার প্রতিবাদ করায় ইউনাইটেড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লোকজন আমাদেরকে মারধর করেছে। আমরা এর বিচার চাই।
ইউনাইটেড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ডা. জাহিদ হোসেন রিন্টু বলেন, সকালে আমাদের এখানে এসে আফরোজা বেগম ভর্তি হয়। এরপর তাকে স্যালাইন দেই। দুপুরে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. প্রভাষ মন্ডল ও আমি রোগীটিকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাই। এরপর রোগীটি হার্ট এটাক করে মারা যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের একজন চিকিৎসক বলেন, প্রভাষ মন্ডল এ্যানেসথেসিয়ার কোনো ডাক্তার না। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের একজন মেডিকেল অফিসার। তার ভুলের কারণেই রোগীর মৃত্যু হতে পারে।
ডা. প্রভাষ মন্ডল বলেন, অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে আমরা রোগীর চিকিৎসা শুরু করার আগেই মৃত্যু হয়েছে। সঠিক তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
কোটালীপাড়া থানার ওসি মুহাম্মদ ফিরোজ আলম বলেন, এ ঘটনায় মৃত আফরোজা বেগমের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।