জানা গেছে, সশস্ত্র গ্রুপগুলো রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অপহরণ, খুন, চাঁদাবাজি, প্রত্যাবাসন বিরোধী কর্মকাণ্ড, মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধে সংঘটিত। প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনার জেরে গোলাগুলি ও খুনের ঘটনা ঘটে। গত দুইমাসে আটটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সূত্রে জানা গেছে, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে ২৪টি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটারগান গান, দুইটি পিস্তল, ২৫ হাজার ৭৯০ ইয়াবা, ৮৬ রাউন্ড গুলি, ৬৫ গ্রাম গাঁজা, একটি চাকু, একটি ম্যাগাজিন, তিনটি হাতে তৈরি গ্রেনেড, একটি কিরিচসহ নগদ টাকা উদ্ধার এবং ৪০ জনকে আটক করা হয়।
.png)
৮-এপিবিএন এর অধিনায়ক আমির জাফর বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে গোলাগুলির কারণে এখন সীমান্তে অস্থিরতা বিরাজ করছে। তবে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা উঠিয়ে দেওয়া যায় না। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরে প্রতিদিন অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উখিয়া-টেকনাফের আলোচিত গ্রুপসমূহ: আরসা গ্রুপ, নবী হোসেন গ্রুপ, মুন্না গ্রুপ, আরএসও গ্রুপ, আল মাহাজ গ্রুপ, মৌলবি ইউসুফ গ্রুপ, রকি বাহিনী, শুককুর বাহিনী, আব্দুল হাকিম বাহিনী, সাদ্দাম গ্রুপ, জাকির বাহিনী, পুতিয়া গ্রুপ, সালমান শাহ গ্রুপ, গিয়াস বাহিনী প্রভৃতি।
ক্যাম্পের একাধিক বাসিন্দা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এসব গ্রুপের কিছু সদস্যের নামও পাওয়া গেছে। তারা হলেন, কমান্ডার হাফেজ আতা উল্লাহ, আব্দুল হাকিম, মাস্টার রফিক, সৈয়দ হোসেন, সাব্বির আহমদ লালু, রহিম উল্লাহ মুসা, সৈয়দুল আমিন, মোহাম্মদ হাসিম, মোহাম্মদ আলম, রাদি আলম, মোহাম্মদ আয়াস, মোহাম্মদ ইসমাইল, মো. ইলিয়াস, হাফেজ ইদ্রিস, হাফেজ বদরুল ইসলাম প্রমুখ।
এ ব্যাপারে ১৪-এপিবিএন এর অধিনায়ক মোহাম্মদ ইকবাল জানান, ক্যাম্পে এপিবিএন পুলিশের তিনটি ইউনিটই সন্ত্রাসী, অস্ত্রবাজি ও মাদক কারবার বন্ধে অভিযানের পাশাপাশি বিট পুলিশিং কাউন্সেলিং, সচেতনতা বৃদ্ধির সমাবেশসহ নানা ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।