বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুরাদনগর থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর। এ ঘটনায় থানায় চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
কারাগারে যাওয়া ঐ রোহিঙ্গা নারীর নাম জয়নব বিবি। তিনি কক্সবাজার টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের আলী খালীর ২৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।
.png)
মামলার পলাতক অপর তিন আসামি হলেন- কামরুল হাসান কাদির, শান্ত মিয়া, রমজান আলী। এর মধ্যে শান্ত মিয়ার বাড়ি দেবিদ্বার থানায়। আর বাকি দু’জনের মুরাদনগর থানায়।
পুলিশ, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দেড় লাখ টাকায় কামরুল হাসান কাদিরের সঙ্গে মুরাদনগরে আসেন ঐ রোহিঙ্গা নারী। এই কাজের আগেও তিনি নিজের নামে পাসপোর্ট ও অন্যদের নানান কাগজপত্র করে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই চক্রের সঙ্গে কাজ করেছেন। দীর্ঘদিন তারা বিভিন্ন জনের জন্ম নিবন্ধন ভোটার আইডি কার্ড করে দিয়ে বিদেশেও পাড়ি দিতে সহায়তা করছেন। এবার এই কাজ শেষ করে দিয়েই তার বিদেশে যাওয়ার কথা ছিল।
ইউপি সচিব ইসমাইল হোসেন বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ড হতে রোহিঙ্গা নারীর জন্ম নিবন্ধন (তারিখ ২০-০৭-২৩ইং) করা, মুরাদনগর এলাকায় বাড়ি। কিন্তু জন্ম নিবন্ধন অন্য এলাকার কেনো? এমন প্রশ্নে নানা কথার এক ফাঁকে তিনি চট্টগ্রামের ভাষায় কথা বলায় সন্দেহ হয়। পরে তাকে যখন বলি আপনি তো রোহিঙ্গা। তিনি আর কথা বলেন না। ইউএনও বিষয়টি জানাই। পরে থানা থেকে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়।
মুরাদনগর থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। আটক রোহিঙ্গা নারীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি তিন আসামিকে আটকের চেষ্টা চলছে।