তিনি বলেন, কিছু ব্যবসায়ী আছেন, যারা এ ধরনের পরিস্থিতিকে পুঁজি করতে চান। তবে আমাদের কাছে এরই মধ্যে সরবরাহ করার জন্য চিনির পর্যাপ্ত স্টক রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে এগুলো ঠিক হয়ে যাবে।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
.png)
এ অগ্নিকাণ্ড চিনির বাজারে প্রভাব ফেলবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে সাইফুল আলম মাসুদ বলেন, একটি গোডাউনে আগুনে লেগে চিনির কাঁচামাল পুড়ে গেছে। তা অপরিশোধিত চিনি ছিল। তবে এসবকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দু-একদিনের জন্য কারসাজি করতে পারে। তবে এগুলো ঠিক হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, দু-একদিন পর থেকে প্রোডাকশন শুরু হয়ে যাবে। প্রোডাকশন চালু করবো এবং বানানো মাল আছে। তা দিয়ে এক সপ্তাহ মিনিমাম চলবে। প্রোডাকশনে যেতে লাগবে দু’দিন। আর সমস্যা হবে না। এগুলো সমস্যা নেই, চিনিরও সমস্যা নেই। মেইনলি আগুনটা নিভে গেলে হয়ে যাবে আমার; ইনশাআল্লাহ...।
সোমবার বিকেল ৪টার দিকে গুদামটিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে আগুনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকলে বাড়ানো হয় ইউনিট সংখ্যা। সবশেষ ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিটের সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয় সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড।
সোমবার রাত ১১টার দিকে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন তারা। এরপর রাতভর চলে আগুন নেভানোর কাজ। এখনো কাজ করে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।