তিনি বলেন, আগামী দুয়েকদিনের মধ্যে আমরা পুরোদমে প্রোডাকশনে নামতে পারবো। এ আগুনের পরিপ্রেক্ষিতে বাজারে চিনি কমবে না। শুধু রমজান নয়; আমাদের ছয় থেকে সাত লাখ টন পাইপলাইনে রয়েছে। শুধু একটি গোডাউনে আগুন লেগেছে, সেটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। তবে পাশে আরো গোডাউন রয়েছে। সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিনি রয়েছে। আর বাজারে এর কোনো প্রভাব পড়বে না।
মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
.png)
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রসঙ্গে এস আলম গ্রুপের এ কর্মকর্তা বলেন, এ মুহূর্তে সেটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। যারা তদন্তে কাজ করছেন, তাদের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত কোনো কিছু নিশ্চিত নয়। একইসঙ্গে কীভাবে আগুন লেগেছে সেটিও পরে জানা যাবে।
সোমবার বিকেল ৪টার দিকে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রথমে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে আগুনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকলে বাড়ানো হয় ইউনিট সংখ্যা। সবশেষ ফায়ার সার্ভিসের ১৪টি ইউনিটের সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয় সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড।
সোমবার রাত ১১টার দিকে ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন তারা। এরপর রাতভর চলে আগুন নেভানোর কাজ। এখনো আগুন নেভানোর কাজ করে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।