আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে কাজ করছে কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী। সর্বশেষ রাত ৯টার দিকে যোগ দেয় সেনাবাহিনীও। সব মিলিয়ে সেখানে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সংস্থার ১৮টির বেশি ইউনিট।
সোমবার বিকেল ৪টার দিকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এরপরই আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে জানাতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।
.png)
ফায়ার সার্ভিসের আগ্রাবাদ নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কফিল উদ্দিন বলেন, আগুন এখনো নির্বাপণ করা সম্ভব হয়নি। তবে আগুন কারখানা থেকে বাইরে ছড়ানোর সম্ভাবনা নেই। চিনি পুড়ে গলে গেছে, সেগুলো এখনো জ্বলছে।
জানা গেছে, রমজান উপলক্ষে সম্প্রতি ব্রাজিল থেকে আনা এক লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি রাখা ছিল কারখানাটিতে। যেগুলো পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার কর্মকর্তারা।
মোহাম্মদ ফয়সাল নামে এক কর্মকর্তা বলেন, কারখানার এক নম্বর ইউনিটটিতে এক লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত চিনি ছিল। রমজানের জন্য চিনিগুলো আমদানি করা হয়েছিল। সেগুলো পুড়ে গেছে।
এদিকে, এ দুর্ঘটনার প্রভাব চিনির বাজারে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, এত চিনি পুড়ে যাওয়ায় প্রভাব রমজানের বাজারে অবশ্যই পড়বে। ভারত থেকে চিনি আমদানির কথা। সেটি হলে কিছুটা প্রভাব কম পড়বে।