শুক্রবার দুপুরে দিকে তাকে উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গণি।
তিনি জানান, সেন্টমার্টিন ভ্রমণ করতে গিয়ে গত রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে হ্যাপীর সন্ধান মিলছে না মর্মে তার সঙ্গে বেড়াতে আসা সহপাঠীরা পুলিশকে অবহিত করে। সেই সঙ্গে তারা থানায় একটি লিখিত ডায়েরি করেন। এরপর কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার ও উখিয়া-টেকনাফ সার্কেলের সার্বিক নির্দেশনা মোতাবেক থানায় কর্মরত এসআই সুদর্শনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে উদ্ধারে অভিযানিক কার্যক্রম শুরু করে। সেই সূত্র ধরে গত ৫ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ নারী বিসিএস ক্যাডারের মোবাইল লোকেশন কক্সবাজার শহরের সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকায় ট্র্যাকিংয়ে পাওয়া যায়।
.png)
অবশেষে অভিযানিক দলের দীর্ঘ ৫ দিনের চেষ্টায় শুক্রবার ভোর রাত ৩টার দিকে কক্সবাজার সুগন্ধা বিচ পয়েন্ট সংলগ্ন এ আর গেস্ট হাউজ নামে একটি হোটেল থেকে তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
ওসি আরো জানান, উদ্ধার হওয়া নিখোঁজ নারী বিসিএস ক্যাডার হ্যাপীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি ব্যক্তিগত সমস্যা এবং বিসিএসের ফলাফল মনের মতো না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তাই নিজেকে আড়ালে রাখার জন্য এই পথ বেঁচে নেন। তিনি এখন পুলিশের অভিযানিক দলের হেফাজতে রয়েছেন। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম শেষ করার পর তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরী জানান, উক্ত বিষয় জানার পর টেকনাফ থানা পুলিশের সদস্যরা নিখোঁজ নারীকে উদ্ধার করাতে অভিযানিক কার্যক্রম শুরু করেন। অভিযানিক টিমের পুলিশ সদস্যরা ৫ দিন পর ওই নারী বিসিএস ক্যাডারকে কক্সবাজার বিচ পয়েন্ট এলাকার একটি হোটেল থেকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
উল্লেখ্য, নিখোঁজ নারীসহ ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ৭১ জনের একটি টিম প্রবালদ্বীপ খ্যাত সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যান। তারা দ্বীপে অবস্থানরত হোটেল সি ভিউসহ বেশ কয়েকটি রিসোর্টে উঠেছিলেন।