ভবন মালিক খালিদ খান বলেন, মিথুন চার বছর ধরে আমার ভবনের চিলেকোঠার ঘরে একাই বসবাস করছে। তার গ্রামের বাড়ি রামপাল। সে ঘর ভাড়া নেয়ার সময় জানিয়েছিল মোবাইল কোম্পানিতে চাকরি করে। পরে কি করতো আমার জানা নেই। গতকাল (সোমবার) তার ঘরের দরজা চাপানো ছিল, এসে ডাকলে সে বের হয়নি। আমি ঘরে চলে যায়। পরে আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পাশের ঘরের ভাড়াটিয়া আমাকে সংবাদ দিলে এসে দেখি ঘরের মধ্যে তার মরদেহ ঝুলছিল। বিষয়টি পুলিশকে জানাই। সংবাদ পেয়ে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে। তার বাবা মাকে সংবাদ দিয়েছি, তারা আসছেন।
খুলনা সদর থানা পুলিশের এসআই বোধন বিশ্বাস জানান, সংবাদ পেয়ে চারতলায় চিলেকোঠায় এসে দেখি ঐ যুবকের মরদেহ ঝুলছিল। তার গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- সে দুই-তিন দিন আগে আত্মহত্যা করেছে। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
.png)