খবর পেয়ে রাত ১২টায় পুলিশ গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহরের ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় হৃদয়, জাহাঙ্গীর, কালেকখা ও জুয়েল নামে চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শী তানজিদ জানান, জামাল (১৪) তার সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ভাঙারি সংগ্রহ করতো। পরে সেগুলো আল আমিনের দোকানে বিক্রি করতো। রাত ১০টায় জুয়েল, হৃদয়, জাহাঙ্গীর, কালেকখা, খোকন ও জামাল একসঙ্গে আল আমিনের ভাঙারি দোকানে বসে জুতার আঠা পলিথিন ব্যাগে ভরে ডান্ডি সেবন করেছে। এরপর সবাই একসঙ্গে দোকানেই ঘুমিয়ে পড়ে। রাত ১১টায় তানজিদ দোকানে গিয়ে দেখে জামাল দোকানের বাঁশের আঁড়ায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আছে।
.png)
পরে ডাকাডাকি করলে সবাই ঘুম থেকে উঠে জামালকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে কম্বল দিয়ে ঢেকে লুকানোর চেষ্টা করে। এ সময় বিষয়টি বাইরের লোকজন দেখে ফেলেন ও আশপাশে জানাজানি হয়। এতে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে থেকে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
ফতুল্লা মডেল থানার এসআই শাহাদত হোসেন জানান, কিশোরের বাবা মায়ের নাম ও পরিচয় পাওয়া যায়নি। যাদের সঙ্গে নেশা করতো এবং ভাঙারি সংগ্রহ করতো তারা ছেলেটিকে জামাল নামে ডাকে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে।