পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওই নারী আত্মহত্যা করেছেন। তবে পরিবারের অভিযোগ, সীমাকে যৌতুকের এক ভরি সোনার জন্য হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সীমার স্বামী মনিরুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত সীমা খাতুনের বাবা কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট গ্রামের কলিম উদ্দিন জানান, ১০ মাস আগে সদর উপজেলার কড্ডার মোড় ভুইয়াপাড়া গ্রামের ফজল শেখের ছেলের সঙ্গে তার মেয়ে সীমা খাতুনের বিয়ে দেন। বিয়ের পর যেকোনো সময় এক ভরি সোনার গহনা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু টাকার অভাবে দিতে পারিনি। এ জন্য বিভিন্ন সময় মেয়েকে নির্যাতন করত। এ অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে মেয়ে ফোন দিয়ে জানায়, বাবা এক ভরি সোনা দিয়ে দাও। নইলে আমার স্বামী আমাকে মারধর করছে। আমি বলেছিলাম কালকের মধ্যেই সোনা দিয়ে দিবো। কিন্তু রাত ৩টার দিকে জানতে পারি আমার মেয়ে মারা গেছে।
.png)
তিনি আরো জানান, আমার মেয়ে নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। ঘাতক স্বামী মনিরুলই আমার মেয়েকে মারধরের পর আত্মহত্যা বলে চালানোর জন্য ধরনার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
সদর থানার এসআই কমল চন্দ্র জানান, সংবাদ পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মারধরের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আত্মহত্যা করেছেন। তারপরও নিহতের স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামী মনিরুলকে আটকের পর আত্মহত্যায় প্ররোচণার অভিযোগে মামলা রেকর্ড করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের শেষে রিপোর্ট প্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।