মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ সদর দফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে সোমবার সন্ধ্যা ৫টার দিকে ঢাকার মহাখালী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া আশিকুল ইসলাম আশিক একই উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের নামাপাড়া গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের ছেলে।
.png)
এ বিষয়ে র্যাব-১৪’র উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, পারভীন আক্তারের শ্বশুর আলফাজ উদ্দিন দীর্ঘদিন একটি গভীর নলকূপের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে স্থানীয়দের জমিতে পানি সেচ দিয়ে আসছিলেন। ঘটনার দিন (২০২০ সালের ১৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আশিকসহ একদল লোক রামদা, ফালা, বাঁশের লাঠি, লোহার রড, বল্লমসহ নানা অস্ত্র নিয়ে নলকূপটি দখল করতে আসে। এ সময় আলফাজ উদ্দিনের ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম তাদের বাঁধা দেয়। এ সময় মঞ্জুরুলের চিৎকার শুনে পারভীন আক্তারসহ পরিবারের অন্যরা এগিয়ে আসে। এ সময় পারভীন আক্তারের মাথায়, বুকে ও হাতে কুপিয়ে মাটিতে ফেলে রাখা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে ১৯ এপ্রিল রাত ১১টায় তার মৃত হয়।
তিনি বলেন, এ ঘটনার পরদিন নিহতের ননদ আয়শা আক্তার কণা বাদী হয়ে ফুলবাড়িয়া থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকার মহাখালী এলাকায় আশিকের পালিয়ে থাকার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।