মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এপিপি মো. আবু ইউসুফ মুন্সী।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্রেমিক মো. আশিকুজ্জামান কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ঝলমের চেঙ্গাছাল এলাকার নাসিরুল আলমের ছেলে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মোনালিসা হিমু কুমিল্লার বরুড়া পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিনের স্ত্রী এবং সিরাজগঞ্জ সদরের হোসেনপুর এলাকার আব্দুল মান্নানের মেয়ে।
.png)
নিহত শরিফ উদ্দিন সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট এলাকার বাসিন্দা।
জানা যায়, ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি রাতে শরিফ উদ্দিনকে তার ভাড়া বাসায় হত্যা করেন তারই স্ত্রী হিমু ও প্রেমিক মো. আশিকুজ্জামান। পরদিন ডাকাতির ঘটনা সাজিয়ে থানায় ডাকাতি ও হত্যা মামলা করেন স্ত্রী হিমু। পরে তদন্তে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে জেলা ডিবি পুলিশ। মামলার চার্জশিটে আসামি করা হয় হিমু ও আশিকুজ্জামানকে।
মামলার এপিপি মো. আবু ইউসুফ মুন্সী বলেন, নিহত শরিফের স্ত্রী হিমু তার প্রেমিকের সহযোগিতায় স্বামীকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। পরে রক্তক্ষরণ হয়ে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান। এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১৭ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় হিমুর তিনটি নাবালক সন্তান থাকায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অপর আসামি আশিকুজ্জামানকে মৃত্যুদণ্ডসহ প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত।