মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬১ রান সংগ্রহ করে বরিশাল। এতে কুমিল্লার সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১৬২ রান।
বরিশালের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তামিম ইকবাল ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ জুটিতে আঘাত হানেন তানভীর ইসলাম। প্রথম ওভারের শেষ বলে মেহেদীকে জাকেরের তালুবন্দী করেন বাঁ-হাতি এ স্পিনার।
.png)
এরপর উইকেটে আসেন প্রীতম কুমার। ব্যাট হাতে ভরসা দেখালেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। রস্টন চেজের ঘূর্ণিতে কাটা পড়েন এ ডানহাতি ব্যাটার। আউট হওয়ার ৮ রান করেন।
পরে ক্রিজে আসেন সৌম্য সরকার। তার সঙ্গে জুটি গড়ে তোলার চেষ্টা করেন বরিশাল অধিনায়ক তামিম। কিন্তু মারমুখী হতে গিয়ে বিপাকে পড়েন তিনি। রস্টন চেজের বলে তানভীরের তালুবন্দী হয়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম (১৯)।
নিয়তিম বিরতিতে তিন উইকেট হারিয়ে খানিকটা চাপে পড়ে বরিশাল। তবে সেই চাপ সামলে মুশফিকের সঙ্গে দুর্দান্ত জুটি গড়েন সৌম্য। এ দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৬৬ রান।
ফিফটির পথে থাকা সৌম্যকে ৪২ রানে থামান মুস্তাফিজুর রহমান। ম্যাচের ১৪তম ওভারের প্রথম বলে সৌম্যকে বোল্ড করেন ফিজ। এরপর উইকেটে এসেই সাজঘরের পথ ধরেন শোয়েব মালিক (৭), মাহমুদউল্লাহ (৪) ও দুনিথ ওয়েল্লালাগে (৪)।
অন্যপ্রান্তে ব্যাট হাতে লড়াই চালিয়ে দুর্দান্ত ফিফটি তুলে নেন মুশফিক। তার ৬২ রানে ভর করেই ১৬১ রানের পুঁজি সংগ্রহ করে বরিশাল। এদিন কুমিল্লার হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকার করেন মুস্তাফিজুর রহমান। এছাড়াও দুটি করে উইকেট নেন রস্টন চেজ ও ম্যাথিউ ফোর্ড।