নিহত যুবক উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নারান্দিয়া চকের বাড়ির মৃত মরম আলীর ছেলে। তিনি ভিডিও বার্তায় বলে গেছেন কারা তাকে মারধর করেছে। পুলিশ অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।
নিহতের মা মাসুদা বেগম বলেন, ‘বুধবার দুপুরে খাবার খেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান মাছুম। আসর নামাজের পর ফোন দিয়ে বিকাশে ৫০,০০০ টাকা নেয়। সন্ধ্যা হয়ে গেলে আমার মেয়ে ফোন দিয়ে বাড়িতে আসতে বললে ঐ প্রান্ত থেকে বলে, আপনার ভাই কালকে আসবে। তখন আমি কান্না করতে থাকি। রাত ৮টায় খবর পাই আমার ছেলে গৌরীপুর হাসপাতালে। গিয়ে দেখি আমার ছেলের সারা শরীরে নির্যাতনের দাগ এবং পায়ের রগ কাটা।’
.png)
তিতাস থানার ওসি কাঞ্চন কান্তি দাস বলেন, নিহতের পরিবার সূত্রে জানতে পারি, দাউদকান্দি উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের বাসিন্দা একাধিক হত্যা মামলার আাসামি শুক্কুর আলীর সঙ্গে মাছুমের টাকা-পয়সার লেনদেন ছিল। এছাড়া ভিকটিম ভিডিও বার্তায় বলে গেছে কারা তাকে মারধর করেছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। তিতাস থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।