শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট সদর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানা হেফাজতে নেয়া হয়।
এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে কালাই উপজেলার পুনট ইউনিয়নের শিকটা উত্তরপাড়া গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত সৈয়দ আলী একই গ্রামের মোতরাজ আলীর ছেলে।
.png)
স্থানীয়রা জানান, সৈয়দ আলী স্ত্রীর মৃত্যুর পর বাড়িতে একাই বসবাস করতেন। তার দুই ছেলে পরিবার নিয়ে আলাদা থাকেন। এছাড়া আরেক ছেলে থাকেন ঢাকায়। সৈয়দ আলী বৃহস্পতিবার রাতে বড় ছেলের বাড়ি থেকে খাবার খেয়ে নিজ বাড়িতে এসে ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর শুক্রবার ভোরে সৈয়দ আলীর বড় ছেলে তার বাবার বাড়িতে এসে দেখতে পান মেইন দরজা খোলা। তিনি বাড়ির ভেতর গিয়ে দেখতে পান তার বাবা রক্তাক্ত অবস্থায় খাটের উপর পড়ে রয়েছেন। তার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা গিয়ে দেখেন বৃদ্ধকে কে বা কারা সৈয়দ আলী গলাকেটে হত্যা করেছে।
ভুক্তভোগীর মেজো ছেলে নাজমুল বলেন, আমার বাবার কাছে ধান বিক্রির প্রায় আট লাখ টাকা ছিল। এই টাকার জন্য হয়তো আমার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে।
কালাই থানার ওসি ওয়াসিম আল বারী বলেন, ঐ বাড়িতে নিহত সৈয়দ আলী একাই থাকতেন। শয়নকক্ষে তাকে হত্যা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট সদর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানান, ভুক্তভোগীর ঘরে থাকা কিছু দলিল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। ঐ বৃদ্ধের পরিচিতজনরা তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে কিনা, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। এছাড়া ভুক্তভোগীর দুই ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে।